National Means-cum-Merit Scholarship Examination ।। জাতীয় মেধা বৃত্তি পরীক্ষা ।। NMMSE Exam ।। Free PDF Download
National Means-cum-Merit Scholarship Examination ।। জাতীয় মেধা বৃত্তি পরীক্ষা ।। NMMSE Exam ।। Free PDF Download
নমস্কার ছাত্র-ছাত্রীরা আজকে আমি তোমাদের সাথে শেয়ার করছি National Means-cum-Merit Scholarship Examination ।। জাতীয় মেধা বৃত্তি পরীক্ষা ।। NMMSE Exam ।। Free PDF Download
NMMSE (National Means-cum-Merit
Scholarship Examination) বা জাতীয় মেধা বৃত্তি পরীক্ষা কি ?
NMMSE
(National Means-cum-Merit Scholarship Examination) বা জাতীয় মেধা বৃত্তি
পরীক্ষা হলো ভারত সরকারের মানবসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রক (বর্তমানে শিক্ষামন্ত্রক)
দ্বারা পরিচালিত একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ স্কলারশিপ প্রোগ্রাম।
আর্থিকভাবে পিছিয়ে পড়া অথচ মেধাবী ছাত্রছাত্রীরা যাতে অষ্টম শ্রেণির পর
টাকার অভাবে স্কুলছুট না হয় এবং মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক স্তরের শিক্ষা চালিয়ে
যেতে পারে, সেই উদ্দেশ্যেই ২০০৮ সালে এই প্রকল্পটি চালু করা হয়।
নিচে এই পরীক্ষা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য আলোচনা করা হলো:
১. বৃত্তির পরিমাণঃ
যেসব ছাত্রছাত্রী এই পরীক্ষায় পাস করে স্কলারশিপের জন্য নির্বাচিত হয়,
তাদের নবম শ্রেণি থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত প্রতি বছর ১২,০০০ টাকা
(মাসে ১,০০০ টাকা) করে বৃত্তি প্রদান করা হয়। সরাসরি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে এই টাকা
জমা পড়ে।
২. আবেদনের যোগ্যতা (Eligibility)
এই পরীক্ষায় বসার জন্য নির্দিষ্ট কিছু শর্ত পূরণ করতে হয়:
শ্রেণি: ছাত্রছাত্রীকে অবশ্যই অষ্টম শ্রেণিতে পাঠরত হতে হবে।
নম্বর: সপ্তম শ্রেণির বার্ষিক পরীক্ষায় কমপক্ষে ৫৫% নম্বর পেয়ে পাস করতে হবে (SC, ST এবং বিশেষভাবে সক্ষম ছাত্রছাত্রীদের ক্ষেত্রে ৫% ছাড় থাকে, অর্থাৎ তাদের ৫০% পেলেই হবে)।
পারিবারিক আয়: পরিবারের মোট বার্ষিক আয় কোনোভাবেই ৩,৫০,০০০ টাকার (সাড়ে তিন লক্ষ) বেশি হওয়া চলবে না।
স্কুল: শুধুমাত্র সরকারি, সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত (Govt. Aided) বা স্থানীয় পঞ্চায়েত/পৌরসভা পরিচালিত স্কুলের ছাত্রছাত্রীরাই এই পরীক্ষায় বসতে পারবে।
দ্রষ্টব্য: কেন্দ্রীয় বিদ্যালয়, জওহর নবোদয় বিদ্যালয়, সৈনিক স্কুল বা কোনো বেসরকারি/প্রাইভেট স্কুলের ছাত্রছাত্রীরা এর জন্য আবেদন করতে পারে না।
৩. পরীক্ষার ধরন ও কাঠামো
(Exam Pattern)ঃ
পরীক্ষাটি ওএমআর (OMR) শিটে অফলাইনে নেওয়া হয় এবং এতে কোনো নেগেটিভ মার্কিং (Negative Marking) থাকে না।
পরীক্ষাটি মূলত দুটি অংশে বিভক্ত:
|
পেপারের নাম |
পূর্ণরূপ ও বিষয় |
প্রশ্নের সংখ্যা |
মোট নম্বর |
সময় |
|
MAT |
Mental Ability Test (মানসিক
পারদর্শিতা) |
৯০ |
৯০ |
৯০ মিনিট |
|
SAT |
Scholastic Aptitude Test (শিক্ষাগত
পারদর্শিতা) |
৯০ |
৯০ |
৯০ মিনিট |
·
MAT (মানসিক পারদর্শিতার পরীক্ষা): এখানে
মূলত রিজনিং (Reasoning), অ্যানালজি, ব্লাড রিলেশন, নম্বর সিরিজ, কোডিং-ডিকোডিং,
লুকানো চিত্র খুঁজে বের করা ইত্যাদি থেকে প্রশ্ন থাকে। এটি ছাত্রছাত্রীদের
চিন্তাশক্তি ও যুক্তিবোধ যাচাই করার জন্য নেওয়া হয়।
·
SAT (শিক্ষাগত পারদর্শিতার পরীক্ষা): এখানে
সপ্তম ও অষ্টম শ্রেণির পাঠ্যক্রমের ওপর ভিত্তি করে প্রশ্ন হয়। এর মধ্যে বিজ্ঞান
(Science), সমাজবিজ্ঞান (ইতিহাস ও ভূগোল) এবং গণিত (Mathematics) থেকে প্রশ্ন
থাকে।
৪. পাস নম্বর বা কোয়ালিফাইং
মার্কসঃ
· সাধারণ (General) এবং OBC ছাত্রছাত্রীদের MAT এবং SAT উভয় পেপারে মিলিয়ে অন্তত ৪০% নম্বর পেতে হয়।
SC, ST এবং বিশেষভাবে সক্ষম (PH) ছাত্রছাত্রীদের জন্য পাস নম্বর হলো ৩২%।
·
পাস করলেই যে বৃত্তি মিলবে তা নয়,
প্রতিটি রাজ্যের জন্য নির্দিষ্ট কোটা থাকে। পাস করা ছাত্রছাত্রীদের নিয়ে মেরিট
লিস্ট তৈরি হয় এবং সেই অনুযায়ী স্কলারশিপ দেওয়া হয়।
৫. আবেদন পদ্ধতিঃ
· সাধারণত প্রতি বছর আগস্ট বা সেপ্টেম্বর মাস নাগাদ বিভিন্ন রাজ্যের নিজস্ব পোর্টালের মাধ্যমে অনলাইনে আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হয় (যেমনঃ পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রে - https://banglarshiksha.wb.gov.in/scholarships/)।
আবেদন করার পর স্কুলের প্রধান শিক্ষকের মাধ্যমে ফর্মটি ভেরিফাই করতে হয়।
পরীক্ষার জন্য কোনো আবেদন ফি (Application Fee) লাগে না।
আজকের এই তথ্য সমৃদ্ধ PDF টি ডাউনলোড করতে নীচের ডাউনলোড লিঙ্ক থেকে করে নিন - Download PDF Now.




