Latest

Showing posts with label BENGALI. Show all posts
Showing posts with label BENGALI. Show all posts

Tuesday, April 19, 2022

April 19, 2022

Bengali Sabdo & Sabdo Vandar Part - 2 || বাংলা শব্দ ও শব্দ ভাণ্ডার পর্ব - ২ ।। Free PDF Download

 Bengali Sabdo & Sabdo Vandar Part - 2

Bengali Sabdo & Sabdo Vandar Part - 2

Bengali Sabdo & Sabdo Vandar Part - 2

নমস্কার বন্ধুরা আজকে আমি তোমাদের সাথে শেয়ার করছি Bengali Sabdo & Sabdo Vandar Part - 2 || বাংলা শব্দ ও শব্দ ভাণ্ডার পর্ব - ২ ।। Free PDF Download

তোমরা সকলেই জানো যে বিভিন্ন প্রতিযোগিতা মূলক পরীক্ষায় এবং রেগুলার স্টুডেন্টদের জন্য বাংলা শব্দ ও শব্দ ভাণ্ডার খুবই গুরুত্বপূর্ণ । তাই আমার আমাদের মত করে চেষ্টা করছি তোমাদের সাহায্য করতে। দেখে নাও আজকের বিষয় -

) “তদ্ভব শব্দকাকে বলে ?

উঃ- যেসব সংস্কৃত শব্দ সরাসরি বাংলায় না এসে মধ্যবর্তী স্তরে প্রাকৃতের মাধ্যমে পরিবর্তিত হয়ে বাংলায় এসেছে তাদের তদ্ভব শব্দ বলে

যেমন কার্য > কজ্জ > কাজ

            মৃত্তিকা > মট্টিয়া > মাটি

            সন্ধ্যা > সানঝা > সাঁজ   

এই তদ্ভব শব্দকে আবার দুটি ভাগে ভাগ করা হয় -

) নিজস্ব তদ্ভব শব্দ

) কৃতঋণ তদ্ভব শব্দ

) ‘নিজস্ব তদ্ভবশব্দ কোনগুলি ?

উঃ- যেসব তদ্ভব শব্দ সংস্কৃতের নিজস্ব শব্দের পরিবর্তনের ফলে এসেছে তাদের নিজস্ব তদ্ভব শব্দ বলে

যেমন - ইন্দ্রাগার>ইন্দাআর>ইন্দারা

অঞ্চল >অংচল > আঁচল

দুহিতা > ধিআ > ঝি

গাত্র > গাঅ > গা

) ‘কৃতঋণ তদ্ভবশব্দ কোন গুলি ?

উঃ-  যেসব তদ্ভব শব্দ সংস্কৃতের নিজস্ব শব্দ নয় অন্য ভাষা বংশ থেকে সংস্কৃতে এসেছে এবং তারপর পরিবর্তিত হয়ে বাংলায় এসেছে তাদের  কৃতঋণ তদ্ভব শব্দ বলে

এই জাতীয় শব্দ প্রধান দুটি গোষ্ঠী থেকে সংস্কৃতে এসেছে সেই গোষ্ঠী দুটি হল

() আর্যেতর গোষ্ঠী - ( দ্রাবিড়, অস্ট্রিক)

() ইন্দো-ইউরোপীয় গোষ্ঠী (গ্রীক পারসিক ইত্যাদি)

আর্যেতর দ্রাবিড় গোষ্ঠী থেকে সংস্কৃত হয়ে উদ্ভূত বাংলা তদ্ভবঃ-

দ্রাবিড়> সংস্কৃত> প্রাকৃত> বাংলা তদ্ভব

কুটুম>      ঘট>       ঘড়>      ঘড়া

মুটে>       মুকুট>   মুডঅ>    মোট

কাল>       গল্প>      খল্ল>     খাল

 

ইন্দো-ইউরোপীয় গোষ্ঠী থেকে সংস্কৃত হয়ে উদ্ভূত বাংলা তদ্ভব শব্দঃ-

গ্রিক    >   সংস্কৃত   >   প্রাকৃত    >   বাংলা তদ্ভব

দ্রাখমে  >    দ্রম্য    >     দম্ম     >       দাম

সেমিদালিস  >    সমিতা   >   সমিআ  >   সিমুই

সুরিংকস    >     সুরঙ্গ   >    সুরঙ্গ   >    সুড়ঙ্গ

 

তুর্কি >  সংস্কৃত > প্রাকৃত > বাংলা তদ্ভব

তিগির > ঠক্কুর >   ঠক্কুর >     ঠাকুর

 

পারসিক >  সংস্কৃত >  প্রাকৃত >  বাংলা তদ্ভব

মুদ্রায়  >      মুদ্র  >       মুদ্দ  >    মুদ্রা


আজকের বিষয়টির PDF ডাউনলোড করতে নীচের লিঙ্কে ক্লিক করো - 

Download PDF Click Here


April 19, 2022

Bengali Sabdo & Sabdo Vandar Part - 1 || বাংলা শব্দ ও শব্দ ভাণ্ডার পর্ব - ১ ।। Free PDF Download

 Bengali Sabdo & Sabdo Vandar Part - 1

Bengali Sabdo & Sabdo Vandar Part - 1

Bengali Sabdo & Sabdo Vandar Part - 1

নমস্কার বন্ধুরা আজকে আমি তোমাদের সাথে শেয়ার করছি  Bengali Sabdo & Sabdo Vandar Part - 1 || বাংলা শব্দ ও শব্দ ভাণ্ডার পর্ব - ১ ।। Free PDF Download

তোমরা সকলেই জানো যে বিভিন্ন প্রতিযোগিতা মূলক পরীক্ষায় এবং রেগুলার স্টুডেন্টদের জন্য বাংলা শব্দ ও শব্দ ভাণ্ডার খুবই গুরুত্বপূর্ণ । তাই আমার আমাদের মত করে চেষ্টা করছি তোমাদের সাহায্য করতে। দেখে নাও আজকের বিষয় -

১) শব্দ কাকে বলে ?

উঃ- কয়েকটি বর্ণ বা অক্ষর পাশাপাশি বসে যদি কোন অর্থ প্রকাশ করে তখন তাকে শব্দ বলে।    

যেমন - হাসি, খাওয়া, পড়া ইত্যাদি।

২) বাংলা ভাষার শব্দকে বা শব্দ ভান্ডারকে প্রধানত কয়টি ভাগে ভাগ করা হয় ও কি কি ?

উঃ- প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা হয়। 

যথা -  (ক) নিজস্ব বা মৌলিক শব্দ।

         (খ) আগন্তুক বা কৃতঋণ শব্দ।

         (গ) নবসৃষ্ট শব্দ।

৩) নিজস্ব বা মৌলিক শব্দ কাকে বলে ?

উঃ- যেসব শব্দ প্রাচীন ভারতীয় আর্যভাষা (বৈদিক ও সংস্কৃত) থেকে উত্তরাধিকার সূত্রে অবিকৃতভাবে বা অল্পবিস্তর পরিবর্তিত বাংলায় এসেছে তাদের নিজস্ব বা মৌলিক শব্দ বলে।

যেমন - চন্দ্র-সূর্য, কেষ্ট, কাজ ইত্যাদি।

মৌলিক শব্দ গুলিকে তিন ভাগে ভাগ করা হয় -

(ক) তৎসম , (খ) অর্ধতৎসম  (গ) তদ্ভব।

 তৎ অর্থ বৈদিক ও সংস্কৃত।

৪) তৎসম শব্দ’ কাকে বলে ?

উঃ- যেসব শব্দ সংস্কৃত ভাষা থেকে সরাসরি অবিকৃতভাবে বাংলায় এসেছে তাদের তৎসম শব্দ বলে ।

যেমন - পুত্র, কন্যা, শিক্ষা, ছাত্র, কৃষ্ণ, চন্দ্র, সূর্য, বৃক্ষ, অশ্ব ইত্যাদি।

৫) 'অর্ধতৎসম' শব্দ কাকে বলে ?

উঃ- যেসব সংস্কৃত শব্দ সরাসরি বাংলা ভাষায় আসার পর দ্বিতীয় স্তরে কিছুটা পরিবর্তিত হয় তাকে অর্ধতৎসম শব্দ বলে।

যেমন - কৃষ্ণ> কেষ্ট।          গৃহিণী> গিন্নি।            মন্ত্র> মন্তর।

   জ্যোৎস্না> জোছনা।         পুরোহিত>পুরুত।          প্রণাম> পেন্নাম।

   নিমন্ত্রণ>নেমন্তন্ন।           রৌদ্র> রোদ্দুর।           ঘৃণা> ঘেন্না।

৬) ‘তদ্ভব শব্দ’ কাকে বলে ?

উঃ- যেসব সংস্কৃত শব্দ সরাসরি বাংলায় না এসে মধ্যবর্তী স্তরে প্রাকৃতের মাধ্যমে পরিবর্তিত হয়ে বাংলায় এসেছে তাদের তদ্ভব শব্দ বলে।

যেমন - কার্য> কজ্জ> কাজ।

            মৃত্তিকা> মট্টিয়া> মাটি।

            সন্ধ্যা> সানঝা>সাঁজ।       

 এই তদ্ভব শব্দকে আবার দুটি ভাগে ভাগ করা হয় -

১) নিজস্ব তদ্ভব শব্দ।

২) কৃতঋণ তদ্ভব শব্দ। 

আজকের বিষয়টি PDF টি ডাউনলোড করতে নীচের লিঙ্কে ক্লিক করো - 
Download PDF Click Here

April 19, 2022

Bengali Anuchhed Rachana Free PDF Download || বাংলা অনুচ্ছেদ রচনা

 Bengali Anuchhed Rachana Free PDF Download

Bengali Anuchhed Rachana Free PDF Download

Bengali Anuchhed Rachana Free PDF Download

হ্যালো বন্ধুরা অনুচ্ছেদ রচনা(bengali anuched rochona) একটি গুরুত্বপূর্ণ জিনিস যা তোমাদের বিভিন্ন চাকরীর পরীক্ষায় আসে এবং তোমরা যারা এখন ছাত্র বা ছাত্রী তাদেরও খুব প্রয়োজন । আজকে আমরা এই অনুচ্ছেদ রচনার কিছু উদাহরণ দিলাম -

মাদার টেরিজা

টেরিজা শুধু বাঙালির নয়, শুধু ভারতবাসির নয় , বিশ্বের আর্ত মানুষের মমতাময়ী মা । ২৬ শে আগস্ট ১৯১০ খ্রিস্টাব্দে, মা টেরিজার জন্ম হয় যুগোশ্লোভিয়ার স্কোপজে শহরে । তার ছেলেবেলার নাম ছিল অ্যাগনেস গোনসা বোজাক্সিউ । স্কোপেজ শহরে যাজকদের ছিল এক ধর্ম সংগঠন । সেখানে অ্যাগনেসের যাতায়াত ছিল । লেখাপড়ার সঙ্গে তাঁর ধর্ম চর্চাও চলেছিল সমানে ।অ্যাগনেসের বয়স তখন আঠারো , যুগোশ্লোভিয়ার জেসুইটরা ভারতে কাজের জন্য লোক চেয়ে পাঠায় । সেই ডাকে অ্যাগনেস আসেন কলকাতায় । সেন্ট মার্গারেট স্কুলে ভূগোলের শিক্ষয়ত্রী হন ।শিক্ষকতার ফাঁকে ফাঁকে পরিচালনা করতে থাকেণ ভারতীয় খ্রিস্টান সন্ন্যাসীদের প্রতিষ্ঠান ‘ডটারস্‌ অব সেন্ট অ্যান’। পড়ে শিক্ষকতার কাজ ছেড়ে তিনি ‘মিশনারি অব চ্যারিটি’ গঠন করে সেবামূলক কাজ শুরু করেন । ‘শিশু ভবন’, ‘নির্মল হৃদয়’, প্রভৃতি প্রতিষ্ঠান কলকাতায় গড়ে ওঠে । শিশু থকে বৃদ্ধ সব বয়সের পীড়িত মানুষের সেবায় মাদার নিজেকে নিয়োগ করেন । তাঁর সেবা, করুনা আর শান্তি সারা বিশ্বে পরিচিত । তিনি ১৯৭৯ খ্রিস্টাব্দে নোবেল পুরস্কারে সম্মানিত হন । তিনি মারা যান ৮৭ বছর বয়সে ৫ই সেপ্টেম্বর ১৯৯৭ খ্রিস্টাব্দে  । আমাদের পরম সৌভাগ্য ,খ্রিস্টধর্ম গুরু মহামান্য পোপ ৪ই সেপ্তেম্বর ২০১৬ খ্রিস্টাব্দে ভার্টিক্যান প্যালেসে এক বিশেষ অনুষ্ঠানে মাদার টেরিজাকে ‘সন্ত’ উপাধিতে ভূষিত করেছেন ।

 

স্বামী বিবেকানন্দ

১২ই জানুয়ারি ,১৮৬৩ খিস্টাব্দে স্বামী বিবেকানন্দ কলকাতার সিমুলিয়ার দত্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন ৷ সন্ন্যাস নেবার আগে তার নাম ছিল নরেন্দ্রনাথ ৷ তার বাবা বিশ্বনাথ দত্ত এবং মা ভুবনেশ্বরী দেবী ৷ নরেন মেধাবী ছাত্র ছিলেন ৷ মাত্র চোদ্দ বছর বয়সে মেট্রোপলিটন ইনস্টিটিউশন থেকে প্রবেশিকা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন । তারপর প্রেসিডেন্সি কলেজ , সেখান থেকে জেনারেল অ্যাসেমব্লিজ কলেজে( স্কটিশ চার্চ) পড়াশোনা করেন । বিএ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন । ছেলেবেলা থেকে ধর্মের প্রতি টান ছিল । তিনি ঠাকুর রামকৃষ্ণের শিষ্য হন । ঠাকুর দেহ রাখার পর নরেন গুরুভাইদের নিয়ে বরানগরে সন্ন্যাস-সংঘ গড়েন ।জনসেবা ছিল সন্ন্যাস- সংঘের প্রধান কাজ । নরেন পায়ে হেঁটে ভারত ভ্রমণ করেন ।আমেরিকার শিকাগো শহরে বসে ধর্ম সম্মেলন । নরেন বিবেকানন্দ নাম নিয়ে আমেরিকা যাত্রা করেন । সেখানে হিন্দুধর্ম ও বেদান্তের সার কথা তুলে ধরেন । আইরিশ মহিলা মিস মার্গারেট নোবেল তাঁর কাছে দীক্ষা নিয়ে হন ভগিনী নিবেদিতা । রামকৃষ্ণ মিশন ও বেলুড় মঠ প্রতিষ্ঠা বিবেকানন্দের বিশাল কীর্তি । তাঁর প্রতিষ্ঠিত রামকৃষ্ণ মিশনের প্রথম কাজই হল গরীব দুঃখী ও আর্ত মানুষের সেবা করা ।

Download PDF Click Here


April 19, 2022

Bengali Anuchhed Rachana Free PDF Download || বাংলা অনুচ্ছেদ রচনা কাকে বলে

 Bengali Anuchhed Rachana Free PDF Download

Bengali Anuchhed Rachana Free PDF Download

Bengali Anuchhed Rachana Free PDF Download

হ্যালো বন্ধুরা অনুচ্ছেদ রচনা(bengali anuched rochona) একটি গুরুত্বপূর্ণ জিনিস যা তোমাদের বিভিন্ন চাকরীর পরীক্ষায় আসে এবং তোমরা যারা এখন ছাত্র বা ছাত্রী তাদেরও খুব প্রয়োজন । আজকে আমরা এই অনুচ্ছেদ রচনার কি এবং এর কিছু বৈশিষ্ট্য ও কিভাবে অনুচ্ছেদ রচনা লিখতে হয় তার কিছু উদাহরন দেব। চলো দেখে নাও -


অনুচ্ছেদ রচনা কি ?


একটি বিশেষ ভাবকে প্রকাশ করতে কিছু বাক্যের প্রয়োজন হয় । বাক্য গুলি ভাব প্রকাশের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পরপর বসে সম্পর্কের অদৃশ্য সুতোয় গাঁথা হয়ে ভাবের শক্ত প্রকাশ ঘটায় । এভাবে একটি বিশেষ ভাবকে প্রকাশ করাকে অনুচ্ছেদ রচনা বলা হয় ।


অনুচ্ছেদ রচনার কিছু বৈশিষ্ট্যঃ-

১। অনুচ্ছেদ কিছু বাক্যের সমষ্টি ।

২। বাক্যগুলি যেন পরস্পর সম্পর্কের সুতোয় বাঁধা ।

৩। শুরু থেকে শেষ অবধি ভাবের প্রকাশ হয় আঁটোসাঁটো ।

৪। বাক্যগুলি একটি বিশেষ ভাবকে প্রকাশ করে ।

অনুচ্ছেদ রচনার ক্ষেত্রে কিছু নিয়ম মানতে হয় । সেগুলি হল –


১। একটি মাত্র অনুচ্ছেদ লিখতে হয় । একের বেশি হওয়া চলে না ।

২। ভাষা হয় সহজ সরল ও সাবলীল ।

৩। একই শব্দের বা বাক্যের ব্যবহার যেন না হয় , সেদিকে নজর দিতে হয় । ৪। প্রবন্ধে যে কোনো বিষয়ের নানা দিক ও ভাবকে বিভিন্ন অনুচ্ছেদে প্রকাশ করা হয় , কিন্তু অনুচ্ছেদ রচনায় বিষয়ের একটি বিশেষ ভাবের ওপর আলো ফেলা হয় । অনুচ্ছেদ রচনায় তাই ভাবকে ফুলিয়ে ফাঁপিয়ে প্রকাশের তেমন সুযোগ থাকে না । ভাবের প্রকাশ হয় যতদূর সম্ভব আঁটসাঁট । উদ্ধৃতি দেওয়ার প্রয়োজন হলে তা দিতে হয় ছোটোখাটো চেহারায় ।

Download PDF Click Here


April 19, 2022

Bengali Dhoni Poribortan Practice Set - 2 ।। বাংলা ধ্বনি পরিবর্তন প্র্যাকটিস সেট - ২

 Bengali Dhoni Poribortan Practice Set - 2 

Bengali Dhoni Poribortan Practice Set - 2

Bengali Dhoni Poribortan Practice Set - 2 

আজকে আমি তোমাদের সাথে শেয়ার করছি Bengali Dhoni Poribortan Practice Set - 2 ।। বাংলা ধ্বনি পরিবর্তন প্র্যাকটিস সেট - ২
 বন্ধুরা আমরা dhoni poriborton এবং dhoni poriborton এর বিভিন্ন রীতি ও ধারা নিয়ে আলোচনা করছিলাম । বন্ধুরা তোমারা কম বেশি আশা করি বুঝতে পেরেছ ধ্বনি পরিবর্তন জিনিসটা কি এবং এর বিভিন্ন রীতি নিয়েও জেনেছ । আজকে আমরা কিছু প্রশ্ন দিলাম নিজেরা প্র্যাকটিস করো, না পারলে নীচে উত্তর দেওয়া আছে দেখে নিতে পারো । অবশ্যই কমেন্ট করে জানিয়ো…

১৬) ধ্বনি বিপর্যাসের একটি উদাহরণ হল –

(ক) কাল > কাইল

(খ) বালতি > বালটি

(গ) বাতাসা > বাসাতা

(ঘ) মাছ > মাচ।

১৭) ‘বাক্য > বাইক্ক’ কিসের উদাহরণ –

(ক) বিপর্যাস

(খ) আপিনিহিতি

(গ) মহাপ্রাণীভবন

(ঘ) অভিশ্রুতি।

১৮) বিষমীভবনের উদাহরণ হল –

(ক) ষোড়শ > ষোলো

(খ) খাচ্ছে > খাইসে

(গ) পরিষদ > পর্ষদ  

(ঘ) লাল > নাল।

১৯) ‘ভক্তি > ভকতি’ –

(ক) বিপর্যাস

(খ) আপিনিহিতি

(গ) বিপ্রকর্ষ

(ঘ) অভিশ্রুতি।

২০) ‘গিল্ট > গিল্টি’ ধ্বনি পরিবর্তনের কোন ধারা এখানে কাজ করেছে –

(ক) অন্ত্য ব্যঞ্জনাগম

(খ) মধ্য ব্যঞ্জনাগম

(গ) আদিস্বরাগম

(ঘ) অন্ত্যস্বরাগম।

২১) ‘বাবু > বাবুন’ ধ্বনি পরিবর্তনের কোন ধারা এখানে কাজ করেছে –

(ক) অন্ত্য ব্যঞ্জনাগম

(খ) মধ্য ব্যঞ্জনাগম

(গ) আদিস্বরাগম

(ঘ) অন্ত্যস্বরাগম।

২২) ‘লক্ষী > লোক্‌খি’ ধ্বনি পরিবর্তনের কোন কারণ এখানে কাজ করছে - 

(ক) আবেগ জনিত

(খ) অন্যমনস্কতা জনিত

(গ) বাক্‌যন্ত্রের ত্রুটি

(ঘ) আরাম প্রবণতা।

২৩) ‘মৃত্তিকা > মাটি’ এখানে ধ্বনির কী ধরণের রূপান্তর ঘটেছে –

(ক) মূর্ধন্যীভবন

(খ) স্বতমূর্ধন্যীভবন

(গ) মহাপ্রাণীভবন

(ঘ) স্বতমহাপ্রাণীভবন।

২৪) নাসিক্যভবনের উদাহরণ হল –

(ক) সূচ > ছুঁচ

(খ) শৃঙ্খল > শিকল

(গ) পদ্ম > পদ্দ

(ঘ) দন্ত > দাঁত ।

২৫) স্বতনাসিক্যভবনের উদাহরণ হল –

(ক) সূচ > ছুঁচ

(খ) শৃঙ্খল > শিকল

(গ) পদ্ম > পদ্দ

(ঘ)  দন্ত > দাঁত ।

২৬) মহাপ্রাণীভবন কোনটি –

(ক) বিবাহ > বিভা

(খ) হস্ত > হথ্থ

(গ) করছি > কচ্ছি

(ঘ) চক্র > চক্ব ।

২৭) ‘সকল > সক্কল’ যে ধরনের পরিবর্তন তা হল –

(ক) আবেগময়তা

(খ) শ্বাসাঘাত জনিত

(গ) অন্যমনস্কতা জনিত

(ঘ) বাক্‌যন্ত্রের ত্রুটি ।

২৮) ‘পাপড়ি > পাবড়ি’ - যার উদাহরণ তা হল –

(ক) মূর্ধন্যীভবন

(খ) অল্পপ্রাণীভবন

(গ) ঘোষীভবন  

(ঘ) অঘোষীভবন।

২৯) অন্যোন্য সমীভবন কোনটি –

(ক) গল্প > গোপপ

(খ) পক্ব > পক্ক

(গ) মহোৎসব > মোচ্ছব

(ঘ) ললাট > নলাড।

৩০) ‘তিনটা > তিনটে’ - যে ধরনের সঙ্গতি তার হল –

(ক) অন্যোন্য

(খ) পরাগত

(গ) মধ্যগত

(ঘ) প্রগত।

 

উত্তরঃ- ১৬) বাতাসা > বাসাতা ,

১৭) আপিনিহিতি , ১৮) লাল>নাল ,

১৯) বিপ্রকর্ষ , ২০) অন্ত্যস্বরাগম ,

২১) অন্ত্য ব্যঞ্জনাগম , ২২) আরাম প্রবণতা ,

২৩) মূর্ধন্যীভবন , ২৪) দন্ত>দাঁত , ২৫) সূচ>ছুঁচ , ২৬) বিবাহ>বিভা , ২৭) শ্বাসাঘাত জনিত ,

২৮) অঘোষীভবন , ২৯) মহোৎসব>মোচ্ছব ,

৩০) প্রগত।


আজকের বিষয়টির PDF টি ডাউনলোড করতে নীচের লিঙ্কে ক্লিক করো - 

Download PDF Here


April 19, 2022

Bengali Dhoni Poribortan Practice Set - 1 ।। বাংলা ধ্বনি পরিবর্তন প্র্যাকটিস সেট - ১

 Bengali Dhoni Poribortan Practice Set - 1

Bengali Dhoni Poribortan Practice Set - 1

Bengali Dhoni Poribortan Practice Set - 1

হ্যালো বন্ধুরা আমরা dhoni poriborton এবং dhoni poriborton এর বিভিন্ন রীতি ও ধার নিয়ে আলোচনা করছিলাম । বন্ধুরা তোমারা কম বেশি আশা করি বুঝতে পেরেছ ধ্বনি পরিবর্তন জিনিসটা কি এবং এর বিভিন্ন রীতি নিয়েও জেনেছ । আজকে আমরা কিছু প্রশ্ন দিলাম নিজেরা প্র্যাকটিস করো না পারলে নীচে উত্তর দেওয়া আছে দেখে নিতে পারো । অবশ্যই কমেন্ট করে জানিয়ো…

১) ধ্বনি পরিবর্তনের প্রধান ধারা - 
(ক) ৩
(খ) ৪
(গ) ৫
(ঘ) ৬ টি।

২) ‘স্থান > থান’ - কী ধরনের ধ্বনি পরিবর্তন ? -
(ক) মধ্য বঞ্জনলোপ 
(খ) আদি বঞ্জনলোপ
(গ) আদি স্বরলোপ 
(ঘ) মধ্য স্বরলোপ ।

৩) একটি 'র'- শ্রুতির উদাহরণ হল – 
(ক) বানর >বাঁদর
(খ) বেয়ারা > বেহরা 
(গ) পুষ্ট>পুরুষ্ট।

৪) 'বড়দিদি > বড়দি' - কী ধরনের ধ্বনি লোপ - 
(ক) অন্ত্য স্বরলোপ
(খ) অন্ত্য বঞ্জনলোপ 
(গ) সমাক্ষরলোপ।

৫) স্বরসঙ্গতি কয় প্রকার ?
(ক) ২
(খ) ৩
(গ) ৪
(ঘ) ৫।

৬) 'বিলাতি>বিলিতি' যে ধরনের স্বরসঙ্গতি তার হল - 
(ক) প্রগত
(খ) পরাগত
(গ) মধ্যগত
(ঘ) অন্যোন্য।

৭) শব্দের শুরুতে স্বরধ্বনির আগমন ঘটলে তাকে বলে - 
(ক) স্বরভক্তি
(খ) আদিস্বরাগম 
(গ) বিপ্রকর্ষ 
(ঘ) আদি বঞ্জনাগম।

৮) 'ওজা>রোজা' ধ্বনি পরিবর্তনের কোন ধারা এখানে কাজ করেছে - 
(ক) অন্ত ব্যঞ্জনাগম
(খ) মধ্য ব্যঞ্জনাগম
(গ) আদিস্বরাগম 
(ঘ) আদি ব্যঞ্জনাগম।

৯) ‘দেশি>দিশি’ ধ্বনি পরিবর্তনের কোন সঙ্গতি এখানে কাজ করছে - 
(ক) প্রগত
(খ) পরাগত
(গ) মধ্যগত
(ঘ) অন্যোন্য।

১০) ' তুমি > টুমি ' ধ্বনি পরিবর্তনের কোন কারণ এখানে কাজ করছে - 
(ক) অনুকরণে ত্রুটি
(খ) শ্রবণ জনিত ত্রুটি 
(গ) দ্রুত উচ্চারণ জনিত ত্রুটি
(ঘ) বাক্‌যন্ত্রের ত্রুটি।

১১) 'কোথা থেকে > কোত্থেকে ' - ধ্বনি পরিবর্তনের কোন কারণ এখানে কাজ করছে - 
(ক) অনুকরণে ত্রুটি
(খ) দ্রুত উচ্চারণ জনিত ত্রুটি
(গ) শ্রবণ জনিত ত্রুটি 
(ঘ) বাক্‌যন্ত্রের ত্রুটি।

১২) ‘বাবা > বাপি’ ধ্বনি পরিবর্তনের কোন কারণ এখানে কাজ করছে -
(ক) আবেগ জনিত
(খ) অন্যমনস্কতা জনিত 
(গ) শ্রবণ জনিত ত্রুটি 
(ঘ) শ্বাসাঘাত জনিত।

১৩) ' আত্মা>আত্তা ' ধ্বনি পরিবর্তনের কোন কারণ এখানে কাজ করছে - 
(ক) আবেগ জনিত 
(খ) অন্যমনস্কতা জনিত 
(গ) বাক্‌যন্ত্রের ত্রুটি 
(ঘ) আরাম প্রবণতা।

১৪) ‘গামোছা > গামছা’ ধ্বনি পরিবর্তনের কোন কারণ এখানে কাজ করছে - 
(ক)  শ্বাসাঘাত জনিত 
(খ) অন্যমনস্কতা জনিত 
(গ) বাক্‌যন্ত্রের ত্রুটি 
(ঘ) আরাম প্রবণতা। 

১৫) 'বন্ধ>বনধ্' ধ্বনি পরিবর্তনের যে কারণ এখানে কাজ করছে তা হল - 
(ক) সামাজিক প্রভাব 
(খ) অন্য ভাষার প্রভাব 
(গ) ভৌগোলিক প্রভাব 
(ঘ) আরাম প্রবণতা।


উত্তরঃ-   ১) ৪ টি , ২) আদি বঞ্জনলোপ , ৩) পুষ্ট>পুরুষ্ট , ৪) সমাক্ষরলোপ , ৫) ৪ , ৬) মধ্যগত , ৭) আদিস্বরাগম , ৮) আদি ব্যঞ্জনাগম , ৯) পরাগত , ১০) বাকযন্ত্রের ত্রুটি , ১১) দ্রুত উচ্চারণ জনিত ত্রুটি , ১২) আবেগ জনিত , ১৩) আরাম প্রবণতা , ১৪) শ্বাসাঘাত জনিত , ১৫) অন্য ভাষার প্রভাব।

আজকের বিষয়টির PDF টি ডাউনলোড করতে নীচের লিঙ্কে ক্লিক করো -



April 19, 2022

Dhoni Poribortoner Dhara or Riti PDF Download ।। ধ্বনি পরিবর্তনের ধারা বা রীতি (পর্ব- ২)

 Dhoni Poribortoner Dhara or Riti PDF Download

Dhoni Poribortoner Dhara or Riti PDF Download

Dhoni Poribortoner Dhara or Riti PDF Download

আমরা dhoni poriborton নিয়ে আলোচনা করছিলাম । সেখানে আগে আমরা ধ্বনি পরিবর্তনের বিভিন্ন ধারা নিয়ে আলোচনা করেছিলাম। আজকে আমরা dhoni poriborton এর যে টুকু ধারা রীতি বাকি ছিল তা নিয়ে আলোচনা করব । চলো দেখে নেওয়া যাক - Dhoni Poribortoner Dhara or Riti PDF Download ।। ধ্বনি পরিবর্তনের ধারা বা রীতি (পর্ব- ২) ।

ধ্বনি পরিবর্তনের ধারা বা রীতি

পর্ব- ২

(v) ঘোষী ভবনঃ- অঘোষ ধ্বনি সঘোষ ধ্বনিতে রূপান্তরিত হয় । যেমন –কাক > কাগ ।

(vi) অঘোষী ভবনঃ- সঘোষ ধ্বনি অঘোষ ধ্বনিতে রূপান্তরিত হয় । যেমন – পাপড়ি > পাবড়ি ।

(vii) মহাপ্রাণী ভবনঃ- মহাপ্রান বর্ণের প্রভাবে অল্পপ্রান বর্ণ মহাপ্রান বর্ণের মতো উচ্চারিত হয় । 

যেমন – স্তম্ভ > থাম ।

(viii) অল্পপ্রানী ভবনঃ- মহাপ্রান ধ্বনি অল্পপ্রাণ ধ্বনিতে পরিণত হয় । যেমন – দুধ > দুদ, মাছ> মাছ ।

(ix) স্বতমহাপ্রানী ভবনঃ- মহাপ্রান বর্ণের প্রভাব ছাড়াই অল্পপ্রান ধ্বনি মহাপ্রানিত হয় । যেমন – পুস্তক > পুঁথি ।

(x) মূর্ধন্যী ভবনঃ- দন্ত্যবর্ণ মূর্ধন্য বর্ণে পরিণত হয় (ঋ, ব, ষ, এর প্রভাব)। যেমন – বৃদ্ধ > বুড়া ।

(xi) স্বতমূর্ধন্যী ভবনঃ- অন্য কোন ধ্বনির প্রভাব ছাড়াই দন্ত্যবর্ণ মূর্ধন্য বর্ণে পরিণত হয় । 

যেমন – বালতি > বালটি ।

(xii) উষ্মীভবনঃ- স্পর্শধ্বনি উচ্চারনে পূর্ণ বাঁধা না পেয়ে আংশিক বাঁধা পেলে তাকে উষ্মীভবন বলে । 

যেমন –  কালীপূজা > খালীপূজা ।

(xiii) নাসিক্যীভবনঃ- নাসিক্যধ্বনি (ঙ, ঞ, ন, ণ, ম) নিজে লুপ্ত হয়ে পূর্ববর্তী ধ্বনিকে অনুনাসিক করে তোলে । যেমন – সন্ধ্যা > সাঁঝ ।  দন্ত্য > দাঁত ।

(xiv) স্বতো নাসিক্যীভবনঃ- নাসিক্য ধ্বনির প্রভাব ছাড়াই আনুনাসিক হলে । যেমন – সূচ > ছুঁচ ।

(xv) সকারীভবনঃ- পৃষ্ঠ ধ্বনি ঘৃষ্ট ধ্বনিতে পরিণত হয় (উষ্মীভবনের জন্য) । যেমন – খেয়েছে > খাইসে ।

(xvi) রকারীভবনঃ- স/শ/ষ – কার ‘র’ কারে পরিণত হয় । যেমন – পঞ্চদশ > পনেরো ।

(xvii) ধ্বনি সংকোচনঃ- দ্রুত উচ্চারনের জন্য সবকটি ধ্বনি পূর্ণ রূপে না উচ্চারণ করা হলে ।

যেমন – পরিষদ > পর্ষদ ।

(xviii) ধ্বনি প্রসারনঃ- অতিরিক্ত ধ্বনি সংযোজন করে শব্দ উচ্চারণ করা হয় । যেমন – স্নান > সিনান ।


৪। ধ্বনি স্থানান্তরঃ-

শব্দের মধ্যে ধ্বনি গুলি পরস্পর স্থান পরিবর্তন করলে তাকে ধ্বনি স্থানান্তর বলে । প্রধানত বিপর্যাসের মাধ্যমে স্থানান্তর ঘটে ।

ধ্বনি স্থানান্তর দুই প্রকার – (ক) বিপর্যাস । (খ) অপিনিহিতি ।

(ক) বিপর্যাসঃ- উচ্চারণ অসতর্কতায় ধ্বনিগুলি একে অপরের জায়গায় চলে যায় ।

যেমন – জীবাণু > বীজাণু । বাতাসা > বাসাতা ।

(খ) অপিনিহিতিঃ- শব্দের মধ্যে ‘ই’ কার ‘উ’ কার নির্দিষ্ট স্থানের আগেই উচ্চারিত হয় ।

যেমন – চারি > চাইর । মাছুয়া > মাউছুয়া


আজকের বিষয়টির PDF টি ডাউনলোড করতে নীচের লিঙ্কে ক্লিক করো - Download Here

 


April 19, 2022

Dhoni Poribortoner Dhara or Riti PDF Download ।। ধ্বনি পরিবর্তনের ধারা বা রীতি (পর্ব- ১)

 Dhoni Poribortoner Dhara or Riti PDF Download

Dhoni Poribortoner Dhara or Riti PDF Download



Dhoni Poribortoner Dhara or Riti PDF Download

বন্ধুরা আজকে আমি তোমাদের সাথে শেয়ার করব Dhoni Poribortoner Dhara or Riti PDF Download ।। ধ্বনি পরিবর্তনের ধারা বা রীতি (পর্ব- ১) ।

ধ্বনি পরিবর্তনের ধারা বা রীতিঃ-

ঐতিহাসিক ভাষাবিজ্ঞানীরা ভাষার ধ্বনি পরিবর্তন পর্যবেক্ষণ করে চারটি ধারা বা রীতি আবিষ্কার করেছেন । এগুলি হল – ১। ধ্বনির আগম । ২। ধ্বনির লোপ ৩। ধ্বনির স্থানান্তর বা বিপর্যাস ।

১। ধ্বনির আগমনঃ-

উচ্চারণ সহজ করার জন্য অনেক সময় শব্দের শুরুতে , মাঝে বা শেষে স্বরধ্বনি বা ব্যঞ্জন ধ্বনির আগমন ঘটে, একেই ধ্বনির আগম বলে ।

ধ্বনির আগম আবার দুই প্রকার – (ক) স্বরাগম এবং (খ) ব্যঞ্জনাগম ।

(ক) স্বরাগম বা স্বরধ্বনির আগমঃ- শব্দের শুরুতে, মাঝে বা শেষে স্বরধ্বনির আগমনকে স্বরাগম বলে ।

স্বরাগম আবার তিন প্রকার । যথা –

(i)আদি স্বরাগমঃ- শব্দের আদিতে বা শুরুতে স্বরধ্বনির আগমন ।

যেমন – স্ত্রী > ইস্তিরি

(ii)মধ্য স্বরাগমঃ- শব্দের মাঝে স্বরধ্বনির আগমন ।

যেমন – ভক্তি > ভকতি ।

(iii)অন্ত্য স্বরাগমঃ- শব্দের শেষে স্বরধ্বনির আগমন ।

যেমন – কড়া > কড়াই ।

(খ) ব্যঞ্জন ধ্বনির আগমঃ- শব্দের শুরুতে, মাঝে বা শেষে ব্যঞ্জন ধ্বনির আগমনকে ব্যঞ্জনাগম বলে । তবে স্বরধ্বনির মতো ব্যঞ্জন ধ্বনির আগম বেশি মেলে না ।

ব্যঞ্জনাগম তিন প্রকার । যথা –

(i)আদি ব্যঞ্জনাগমঃ- শব্দের আদিতে ব্যঞ্জন ধ্বনির আগমনকে আদি ব্যঞ্জনাগম বলে ।

যেমন – ওজা > রোজা ।

(ii) মধ্য ব্যঞ্জনাগমঃ- শব্দের মাঝে ব্যঞ্জন ধ্বনির আগমনকে মধ্যব্যঞ্জনাগম বলে ।

যেমন – পোড়ামুখী > পোড়ারমুখী ।

(iii) অন্ত্যব্যঞ্জনাগমঃ- শব্দের শেষে ব্যঞ্জন ধ্বনির আগমনকে অন্ত্য ব্যঞ্জনাগম বলে ।

যেমন – খোকা > খোকন ।

অপিনিহিতিঃ- শব্দের মধ্যে ‘ই’ বা ‘উ’ কার থাকলে তা যদি নির্দিষ্ট স্থানের আগেই উচ্চারিত হয় তাকে অপিনিহিতি বলে ।

যেমন – করিয়া > কইর‍্যা , সাধু > সাউধ ইত্যাদি ।

শ্রুতিধ্বনিঃ- পাশাপাশি দুটি ধ্বনির উচ্চারনের সময় আসাবধানতা বশত বা শ্রুতি মাধুর্যের কারনে ওই দুটি ধ্বনির মাঝে যদি অন্য একটি এসে যায় তাকে শ্রুতি ধ্বনি বলে ।

যেমন – শৃগাল > শিআল > শিয়াল – এখানে ‘গ’ লোপ পেয়ে ‘য়’ এর আগমন ঘটেছে ।

শ্রুতি প্রধানত দুরকম ‘য়’ শ্রুতি ও ‘ব’ শ্রুতি । এছাড়াও ‘দ’, ‘ল’, ‘হ’ , ‘র’ প্রভৃতি শ্রুতি আছে ।

‘য়’ শ্রুতি – মাঝে ‘য়’ এর আগমন ঘটে । যেমন – মোদক > মোঅঅ > মোয়া ।

‘ব’ শ্রুতি – মাঝে ‘ব’ এর আগমন ঘটে । যেমন – যাওয়া > যাবা ।

‘র’ শ্রুতি – পুষ্ট > পুরুষ ।

‘হ’ শ্রুতি – বেয়ারা > বেহারা ।

‘দ’ শ্রুতি – বানর > বাঁদর ।

‘ওয়’ শ্রুতি – যা > যাওয়া ।

(২) ধ্বনির লোপঃ-

শ্বাসাঘাত, দ্রুততা বা অসাবধানতা প্রভৃতি কারনে শব্দের কোনো কোনো ধ্বনি বিলুপ্ত হয়ে যায় একে ধ্বনিলোপ বলে  ।

এই ধ্বনিলোপ দুই প্রকার । যথা – (ক) স্বরধ্বনি লোপ  (খ) ব্যঞ্জন ধ্বনি ।

(ক) স্বরধ্বনি লোপঃ- শব্দের শুরুতে, মাঝে বা শেষে স্বরধনির বিলুপ্ত হওয়া কে বলে          

                                স্বরলোপ ।

এই স্বরলোপ আবার তিন প্রকার। যথা –

(i) আদিস্বর লোপঃ- শব্দের শুরুতে স্বরধ্বনির লোপ হয় । যেমন – অলাবু > লাউ ।

(ii) মধ্য স্বরলোপঃ- শব্দের মাঝে স্বরধ্বনির লোপ হয় । যেমন – ভগিনী > ভগ্নী ।

(iii) অন্ত্যস্বর লোপঃ- শব্দের শেষে স্বরধ্বনির লোপ হয় । যেমন – ভিন্ন > ভিন ।

(খ) ব্যঞ্জনধ্বনি লোপঃ- শব্দের শুরুতে, মাঝে বা শেষে ব্যঞ্জন ধ্বনির বিলুপ্ত হওয়া কে ব্যঞ্জন লোপ বলে  ।

স্বরলোপের মতো ব্যঞ্জনলোপ ও তিন প্রকার । যথা –

(i) আদিব্যঞ্জন লোপঃ- শব্দের শুরুতে ব্যঞ্জনধ্বনির লোপ হয় । যেমন – স্থান > থান ।

(ii) মধ্যব্যঞ্জন লোপঃ- শব্দের মাঝে ব্যঞ্জনধ্বনির লোপ হয় । যেমন – ফলাহার > ফলার ।

(iii) অন্ত্যব্যঞ্জন লোপঃ-  শব্দের শেষে ব্যঞ্জনধ্বনির লোপ হয় । যেমন – গাত্র > গা ।

এছাড়াও আরও দুই ধরনের ধ্বনিলোপ আছে । তা হল – সমাক্ষরলোপ ও সমবর্ণ লোপ ।

(১) সমাক্ষরলোপঃ- পাশাপাশি অবস্থিত দুটি সমঅক্ষরের মধ্যে একটির লোপ হয় ।      

                              যেমন – বড়দিদি > বড়দি , পটললতা > পলতা ।


(২) সমবর্ণ লোপঃ- পাশাপাশি অবস্থিত দুটি সমবর্ণ শুধুমাত্র লেখার বানানে লোপ পায়,

                            উচ্চারণ ঠিকই থাকে । যেমন – কৃষ্ণনগর > ক্রিশ্নোনগোর ।

৩।ধ্বনির রুপান্তরঃ-

শব্দের মধ্যে অবস্থিত কোন স্বরধ্বনি বা ব্যঞ্জন ধ্বনি যদি একে অপরের সঙ্গে স্থান পরিবর্তন করে তখন তাকে ধ্বনির রপান্তর বলে । যেমন – মিটকেশ > মিশকেট ।

ধ্বনির রূপান্তর নানা রকমের হয়ে থাকে । যেমন – অভিশ্রুতি, স্বরসংগতি, সমীভবন, বিষমীভবন, ঘোষীভবন, অঘোষীভবন, মহাপ্রাণীভবন, অল্পপ্রানীভবন, মূর্ধ্যণীভবন, স্বতঃমূর্ধ্যণীভবন, উষ্মীভবন, নাসিক্যীভবন, সকারীভবন, রকারীভবন, ধ্বনি সংকোচন ও ধ্বনি সম্প্রসারন ।

 

(i) অভিশ্রুতিঃ- অপিনিহিতির পরের স্তর  হল অভিশ্রুতি । অপিনিহিতির ‘ই’ বা ‘উ’ যদি লোপ পায় বা নতুন রূপ লাভ করে তাকে অভিশ্রুতি বলে ।

যেমন – রাতি > রাইত > রাত ।

কালি > কাইল > কাল ।

(ii) স্বরসংগতিঃ- শব্দ মধ্যস্থিত পাশাপাশি অবস্থিত দুটি পৃথক স্বরধ্বনি একে অপরকে প্রভাবিত করে একই রকম স্বরধ্বনিতে রূপান্তরিত হয় ।

যেমন – বিলাতি > বিলিতি , সুপারি > সুপুরি ।

স্বরসংগতি চার রকমের – প্রগত, পরাগত, মধ্যগত, ও অন্যোন্য ।

প্রগতঃ- পূর্ববর্তী স্বরের সঙ্গে পরবর্তী স্বরের সংগতি । যেমন – হিসাব > হিসেব ।

পরাগতঃ- পরবর্তী স্বরের সঙ্গে পূর্ববর্তী স্বরের সংগতি । যেমন – দেশি > দিশি ।

মধ্যগতঃ- পূর্ব বা পরবর্তী স্বরের প্রভাবে মধ্যবর্তী স্বরের সংগতি । যেমন – বিলাতি > বিলিতি ।

অন্যোন্যঃ- পূর্ববর্তী বা পরবর্তী পারস্পরিক প্রভাবে পারস্পরিক পরিবর্তন । যেমন – শোনা > শুনা , নাটকিয়া > নাটুকে ।

(iii) সমীভবনঃ- শব্দ মধ্যস্থিত পাশাপাশি অবস্থিত দুটি পৃথক ব্যঞ্জনধ্বনি একে অপরকে প্রভাবিত করে একই রকমব্যঞ্জন ধ্বনিতে রূপান্তরিত হয় ।

সমীভবন তিন রকমের – প্রগত, পরাগত, অন্যোন্য ।

প্রগতঃ– পূর্ববর্তী ব্যঞ্জনের সঙ্গে পরবর্তী ব্যঞ্জনের সংগতি । যেমন – চক্র > চক্ক, পদ্ম > পদ্দ,

পরাগতঃ- পরবর্তী ব্যঞ্জনের সঙ্গে পূর্ববর্তী ব্যঞ্জনের সংগতি । যেমন – গল্প >  গপ্প , কর্পূর > কপ্‌পূর ।

অন্যোন্যঃ- পূর্ববর্তী বা পরবর্তী ব্যঞ্জনের পারস্পরিক প্রভাবে পারস্পরিক পরিবর্তন । যেমন – বৎসর > বছর , মৎস্য > মচ্ছ ।

(iv) বিষমীভবনঃ- সমীভবনের বিপরীত প্রক্রিয়া হল বিষমীভবন ।পাশাপাশি অবস্থিত সমধ্বনি পৃথক ধ্বনিতে রূপান্তরিত হয় । যেমন – লাল > নাল ।

আজকের বিষয়ের PDF টি ডাউনলোড করতে নীচের ডাউনলোড বটনে ক্লিক করো -  




April 19, 2022

Bengali Dhoni Poriborton & Dhoni Poribortoner Karon || বাংলা ধ্বনি পরিবর্তন ও ধ্বনি পরিবর্তনের কারণ

 Bengali Dhoni Poriborton & Dhoni Poribortoner Karon

Bengali Dhoni Poriborton & Dhoni Poribortoner Karon

Bengali Dhoni Poriborton & Dhoni Poribortoner Karon

নমস্কার বন্ধুরা আজকে আমি তোমাদের সাথে শেয়ার করব Bengali Dhoni Poriborton & Dhoni Poribortoner Karon || বাংলা ধ্বনি পরিবর্তন ও ধ্বনি পরিবর্তনের কারণ

তাই দেরি না করে পড়ে নাও আজকের বিষয় বাংলা ধ্বনি পরিবর্তন ও ধ্বনি পরিবর্তনের কারণ । আর প্রয়োজনে নীচের দেওয়া লিঙ্ক থেকে PDF সংগ্রহ করে নাও ।

ধ্বনি পরিবর্তন

 

১। ধ্বনি পরিবর্তন বলতে কি বোঝো ?

উঃ- শব্দ ব বাক্য মধ্যস্থিত ধ্বনির হ্রাস- বৃদ্ধি, স্থানান্তর- রূপান্তর ও লোপকে কেন্দ্র করে ভাষার যে অভ্যন্তরীণ পরিবর্তন ঘটে, তাকে ধ্বনি পরিবর্তন বলে।

যেমনঃ–     মিটকেশ > মিশকেট

             কোথা থেকে > কোত্থেকে।

 

 ধ্বনি পরিবর্তনের কারন গুলিকে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা –    

(১) বাহ্যিক কারন    (২) অভ্যন্তরীণ কারন ।

(১) ধ্বনি পরিবর্তনের বাহ্যিক কারনঃ-

(ক) ভৌগোলিক প্রভাবঃ- পরিবেশের রুক্ষতা ও স্নিগ্ধতার উপর অনেক সময় ধ্বনি পরিবর্তন নির্ভর করে।

যেমনঃ- পুরুলিয়াতে যাকে বলে ‘পেথ্যা’ বর্ধমানে তারই উচ্চারণ ‘পেথে’।

(খ) সামাজিক প্রভাবঃ- দেশের শান্তি অবস্থা ও যুদ্ধ অবস্থা ধ্বনির পরিবর্তনে প্রভাব ফেলতে পারে।

যেমনঃ– যুদ্ধে বিদেশিদের আগমনের ফলে শ, স, ষ এই শিষ্‌ ধ্বনির মধ্যে ষ্‌ র ব্যবহার লোপ পেয়েছে।

(গ) অন্য ভাষার প্রভাবঃ- বিভিন্ন ভাষা ভাষীর মানুষ পারস্পরিক সহাবস্থানের ফলে ধ্বনি পরিবর্তন হয়।

যেমনঃ– বন্ধ > বন্‌ধ্‌।

এছাড়াও ঐতিহাসিক প্রভাব ও ব্যক্তিগত প্রভাবেও ধ্বনি পরিবর্তন হয়।


(২) অভ্যন্তরীণ কারনঃ- ধ্বনি পরিবর্তনের অভ্যন্তরীন কারন গুলিকে দুটি ভাগে ভাগ করা যায়। 

যথা – (ক) শারীরিক কারণ (খ) মানসিক কারন

(ক) শারীরিক কারনঃ-

(i) বক্তার বাক্‌যন্ত্রের ত্রুটি – জিভের জড়তা থাকলে। যেমন – ভাত দাও > বাট দাও।

(i) শ্রোতার শ্রবন যন্ত্রের ত্রুটি – জল আনতে বললে তেল আনা অর্থাৎ কানে কম শোনা ।

(iii) অনুকরণে ত্রুটি – অসাবধানতা বা অজ্ঞতার কারণে অনুকরনে ত্রুটি হয়। 

যেমন – সার্‌টিফিকেট > সারট্যপিট ।

(iv) দ্রুত উচ্চারণ ঘটিত ত্রুটি – তাড়াতাড়ি কথা বলতে গেলে, যেমন – কোথা থেকে এলি > কোত্থেকে এলি ।

(v) আরাম প্রবণতা – সহজ করে উচ্চারণ করা হয় । যেমন – পদ্ম > পদ্দ।

(খ) মানসিক কারনঃ-

(i) লোক নিরুক্তিগত কারণ – অপরিচিত বিদেশি শব্দ পরিচিত শব্দের মতো উচ্চারণ করলে পরিবর্তন ঘটে। 

যেমন –  হস্‌পিটাল > হাস্‌পাতাল ।

(ii) শ্বাসাঘাত জনিত পরিবর্তন – শব্দের যথাস্থানে শ্বাসাঘাত না পড়লে ধ্বনির পরিবর্তন ঘটে ।

যেমন – গামোছা > গামছা ।

(iii) আবেগ জনিত কারণ – অনেক সময় শব্দকে মধুর করতে ধ্বনির পরিবর্তন ঘটানো হয় ।

যেমন – কাকা > কাকু ।

(iv) অন্যমনস্কতা জনিত কারণ – মন অন্য বিষয়ে চিন্তিত থাকলে ঘটে।

যেমন – এক কাপ চা > এক চাপ কা ।

             

  এছাড়াও সাদৃশ্য জনিত কারণ, বিশুদ্ধি জনিত কারণ(পুষ্ট > পুরুষ্ট), প্রভৃতি কারনে ধ্বনির পরিবর্তন হয়ে থাকে ।


PDF টি ডাউনলোড করতে নীচের লিঙ্কে ক্লিক করুন -